সাপ্লিমেন্ট প্রস্তুতকারকরা প্রায়ই “অ্যাডভান্সড” ক্রিয়েটিনকে পুরনো মানকের চেয়ে বেশি শোষণযোগ্য বলে বাজারে তুলে ধরে। ২০০৯ সালের একটি দ্বি‑অন্ধ পরীক্ষায় ক্রিয়েটিন ইথাইল এস্টারকে মনোহাইড্রেট ও প্লেসবোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিল ৩০ জন অনভিজ্ঞ পুরুষের ওপর, যারা সাত সপ্তাহের তীব্র প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। ফলাফল দেখায় যে CEE রক্তে কম ক্রিয়েটিন ও বেশি ক্রিয়েটিনিন তৈরি করে, অর্থাৎ তা দ্রুত বর্জ্য পণ্যে রূপান্তরিত হচ্ছে। যদিও দুটোই পেশীর ক্রিয়েটিন বাড়িয়েছে, শক্তি, পারফরম্যান্স অথবা দেহ গঠনে কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। এই গবেষণার মূল শিক্ষা: দামী ফর্ম বাদ দিন, সাধারণ মনোহাইড্রেটই যথেষ্ট।
This page is available in